fbpx

হজম শক্তি বৃদ্ধি করে কুমড়ো!

ভিটামিন ‘এ’-তে ভরপুর কুমড়ো জনপ্রিয় সবজির মধ্যে একটি। ভাজি থেকে শুরু করে আচার, নিরামিষ, মাংস রান্না সব কিছুই কুমড়ো দিয়ে করা যায়। কুমড়ো শরীরে নানারকমের পুষ্টির যোগান দিয়ে থাকে।

কুমড়োয় আছে ভিটামিন-এ, বি-কমপ্লেক্স, সি, ই, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, আয়রন, জিংক, ফ্লেভনয়েড পলি-ফেনলিক, অ্যান্টিঅক্সিডেণ্ট উপাদান যেমন লিউটিন, জ্যানথিন। কুমড়োয় ক্যালোরিও বেশ কম থাকে।

কুমড়োর গুণাগুণ:

– কুমড়োর ভিটামিন-এ উপাদান  চোখের জন্য খুবই ভালো। বিশেষ করে যারা  কম বা অস্পষ্ট আলোর মধ্যে থাকে, তাদের কুমড়োর ভিটামিন-এ  চোখকে কর্নিয়া থেকে রক্ষা করে থাকে।

– কুমড়ো মানবদেহের সুস্থ ত্বক গঠনে সাহায্য করে থাকে। শরীরে টিস্যু তৈরি করতে সহায়তা করে থাকে। কুমড়োয় উপস্থিত ক্যারটিনয়েড চোখে ছানি পড়া ও যেকোন বয়সে চোখের সমস্যা হওয়ার ঝুঁকি থেকে রক্ষা করে থাকে। 

– কুমড়ো হল বিভিন্ন ধরনের ভিটামিনের ভাণ্ডার। এতে আছে প্রচুর পরিমানে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন-এ, সি, ই, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম এবং আরও অনেক উপাদান। বিশেষ করে ভিটামিন এ মানদেহের টিস্যুর জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। কুমড়োর বিশেষ উপাদান বিটা-ক্যারোটিন মানবদেহের রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

– কুমড়োতে ক্যালরির পরিমাণ অনেক কম৷ কিন্তু এতে ফাইবার ও পটাশিয়াম আছে প্রচুর পরিমাণে। কুমড়োর ফাইবার উপাদান  দেহের ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। পটাশিয়াম শরীর থেকে অপ্রয়োজনীয় পানি ও লবণ বের করে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রতিদিন কুমড়োর জুস করে খাওয়া যেতে পারে।

– পুষ্টি ও ফাইবারের কারণে কুমড়ো খেলে শরীরের হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়। কুমড়ো কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ডায়রিয়া সমস্যায় কুমড়ো বেশ কার্যকরী। কুমড়োর রস মানবদেহের অ্যাসিডিটি সমস্যা রোধ করে।

– সবসময় সুস্থ থাকতে চাইলে এক গ্লাস কুমড়োর জুসের সঙ্গে সামান্য মধু মিশিয়ে ৩ বেলা খেতে পারেন। যে কোনো ভারী খাবার খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে খেতে হবে।

তথ্যসূত্র:  বিডি-প্রতিদিন

1 thought on “হজম শক্তি বৃদ্ধি করে কুমড়ো!”

Leave a Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *