Your Cart
:
Qty:
Qty:
নিখাদ নিমের তেল(NIKHAD NEEM OIL) ঔষুধ হিসেবে পরিচিত নিম ভারত অথবা বার্মাতেই প্রথম আবিষ্কার হয় বলে ধারণা করা হয়। বর্তমান সময়ে নানা ভাবে ই ব্যবহার করা হয় নিম এর তৈরি বিভিন্ন সামগ্রী। তার মধ্যে একটি নিমের তেল।গাড়ো কালচে সবুজ রঙের নিম তেল এ রয়েছেএন্টিসেপটিক, এন্টিফ্যাঙ্গাল, এন্টিপায়ওরেটিক ওএন্টিহিস্টামিন, স্টেরলেরও, কেমপেস্ট্রল, বিটাসিটাস্ট্রল, সিকগমেস্ট্রল মতো গুরুত্বপূর্ণ উপাজেনে নেই নিম তেলের কিছু গুনাগুন
o নিম তেলে থাকা রিজেনিটিভ প্রোপার্টিজ এবং ইমোনি উপাদান ত্বককে গভীর থেকে ময়েশ্চারাইজার করে। যারফলে আপনার ত্বকের বলিরেখা দূর হয়ে মসৃণ ভাব চলে আসে।
o নিম তেলে থাকা ভিটামিন – ই এবং ইএফএস শুষ্ক ত্বককে ময়েশ্চারাইজ করে ত্বককের স্বাভাবিক সুস্থতা ফিরিয়ে আনে।
o নিম তেলে থাকা উচ্চ মানের ফ্যাটি এসিড এবং ভিটামিন- ই ত্বকে রক্ষা করে এই সমস্যা থেকে এবং ত্বকের গভীর থেকে সুস্থ করে তোলে।
o নিমের তেলে থাকা এন্টিপ্রোপার্টিজ, যা ত্বকে যে কোন প্রকার ইনফেকশন থেকে রক্ষা করে। তাছাড়া ত্বকের ব্রণ সমস্যা যা মূলত ব্র্যাকটেরিয়ার সংক্রমনের জন্য হয়ে থাকে। তা প্রতিরোধের জন্য নিমের তেল বেশ উপকারী।
o এছাড়া ও নিমের তেল ত্বকের ডিপ ময়েশ্চারাইজিং কাজটি করে, এতে থাকা ফ্যাটি এসিড ব্রনের ক্ষত স্থান গুলো সারাতে সাহায্য করে এবং ত্বকের বন্ধ লোমকূপের মুখ খুলতে সাহায্য করে। ত্বকের হাইপার – পিগমেনটেশন কমায়।o তবে সারাসরি ত্বকে নিম তেল ব্যবহার না কারাই ভালো সামান্য পানি বা বিভিন্ন ফেইস প্যাক এর সাথে এড করে ব্যবহার করলে ভো ফল পাওয়া যাবে।