Your Cart
:
Qty:
Qty:
সরবতি
সরবতি সম্পূর্ণ পার্শপ্রতিক্রিয়া মুক্ত একটি ন্যাচারাল ফাংশনাল ফুড এতে রয়েছে ইসুপগুলের ভূসি, তোকমা,কাতিলা গম,ত্রিফলা,মেথি,শাহী জিরা, স্টেভিয়ার মতো উপাদান যা একদিকে আমাদের খাদ্য পরিপ্বাক(হজম) করতে সাহায্য করে অন্যদিকে আমাদের তন্ত্রে অতিরিক্ত গ্যাস উৎপাদন নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভুমিকা রাখে ফলে নিয়মিত সেবনে দীর্ঘদিনের পুরনো গ্যাস কোষ্টকাঠিন্য সম্পূর্ণ নির্মূল করতে সক্ষম।
ঔষধ ছাড়াই গ্যাস্ট্রিক থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তি!
সরবতী সেবনে যে সব উপকার পাবেন:
✅দীর্ঘদিনের গ্যাসের সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করবে এবং নিরাময় হবে।
✅খাদ্য পরিপ্বাক (হজমে) করতে সাহায্য করবে।
✅কোষ্টকাঠিন্য দূর হবে। মলদ্বারে ব্যথা, পাইলস দূর করতে সাহায্য করে ও বাথরুম ক্লিয়ার করে।
✅পেট ঠান্ডা রাখবে ওপেট ফাঁপা হয়ে থাকা দূর করে।
✅দেহের ক্ষতিকর টক্সিন পদার্থ দূর করবে।
কীভাবে পান করবেন সরবতী:-
সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে ১ চা চামচ পাউডার এক গ্লাস পানির কিংবা যে কোন সরবত এর মধ্যে ভালো করে গুলি সেবন করুন। অথবা রাতে ঘুমানোর আগে একই ভাবে সেবন করুন।অথবা যখন গ্যাস বাকোষ্টকাঠিন্য সমস্যা অনুভূত হয় তখন সেবন করতে পারেন।
গ্যাস, আমাদের রোজকার সমস্যা। এমনকী আমাদের মধ্যে অনেকে তো ভাত, ডাল, আলুসিদ্ধ খাওয়ার পরও গ্যাস, অ্যাসিডিটির খপ্পরে পড়েন। তবে মুশকিল হল, আমাদের মধ্যে অনেকেই গ্যাস, অ্যাসিডিটির মতো সমস্যায় পড়লেই হুটহাট অ্যালোপ্যাথি খেয়ে নেন। এতে সাময়িকভাবে সমস্যা কমে যায় ঠিকই, তবে সমস্যার মূল প্রতিকার সম্ভব হয় না।দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা থেকেই যায় অনেক সময় নান ধরনের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া দেয়া দেয়।
বর্তমানে বাংলাদেশ " ক্যান্সার " রোগের এর তালিকায় ১৪ তম স্থানে আছে। গ্যাস্ট্রিক থেকে হওয়া ক্যান্সারের রোগীর সংখ্যা বেশি ।” বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ” মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় এর রিপোর্ট অনুসারে।
সতর্কতা:-
শিশুদের হাতের নাগালের বাইরে রাখুন।
১৮ বছরের উপরে সেবন করতে পারবে।
পরিমাণমতো সেবন করুন।